মূক ও বধির ব্যক্তিদের জন্য বানানো হল আর্টিফিসিয়্যাল অ্যাপ্লিকেশন!

 


স্মার্ট অডিওর রিপোর্ট অনুযায়ী, আমেরিকায় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট জাতীয় ডিভাইজ থেকে স্মার্ট স্পিকার বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করে চলেছে। কয়েক বছর যাবত অ্যামাজন, গুগল ও অ্যাপল থেকে ভয়েজ এসিস্ট্যান্স জাতীয় অ্যাপ্লিকেশনের নির্মাণ অনেকাংশে বেড়েছে।


অ্যামাজন অ্যালেক্সা এমনই একটি ভার্চুয়াল সহকারী। এটি অ্যামাজন দ্বারা তৈরিকৃত একটি স্মার্ট স্পিকার। ভয়েজ মিথস্ক্রিয়া, প্লেব্যাক, টু-ডু লিস্ট তৈরি করা, অ্যালার্ম স্থাপন, পডকাস্ট স্ট্রিমিং, আবহাওয়া, ট্রাফিক, খেলাধুলাসহ অন্যান্য রিয়েল-টাইম তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।


যেখানে স্মার্ট স্পিকার জাতীয় ডিভাইজগুলো মার্কেটজুড়ে জায়গা করে নিচ্ছে সেখানে একটি বিশাল জনসংখ্যা আছে যারা বলতে ও শুনতে পারে না তাদের জন্য এই ধরনের ডিভাইজ রীতিমত অপ্রয়োজনীয়। যদি ভয়েজ কম্পিউটিং সিস্টেম আমাদের ভবিষ্যত হয় সেক্ষেত্রে তাদের মত ব্যক্তিদের কি হবে?


এই প্রশ্নই ভাবিয়ে তুলছিল ডেভেলাপার অভিষেক সিং-কে। আর তা থেকে উদ্ভব হয়েছে নতুন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন অ্যাপ্লিকেশনের। সাইন ল্যাঙ্গুয়েজের প্রতিক্রিয়ার প্রতিউত্তর দিতে সক্ষম অ্যামাজন অ্যালেক্সার নতুন অ্যাপ্লিকেশনটি। এটি একটি ক্যামেরা দ্বারা যুক্ত। ক্যামেরাটি মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ইঙ্গিত বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী ইন্টারপ্রিট করে নেয়।


অভিষেক শুরুতেই একটি প্লাটফর্ম তৈরি করেন স্পিকারটিকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য। একটি ওয়েব ক্যামেরার সামনে বারবার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পরিচালনার মাধ্যমে অ্যালেক্সার এই অ্যাপ্লিকেশনকে সাইন ভাষার মূলমন্ত্র শিখিয়েছেন। স্পিকারটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পরিচালনাগুলোকে টেক্সট ফর্মেটে করভার্ট করে নেয়। এটি মূক ও বধির ব্যক্তি এবং অ্যালেক্সার মধ্যে দোভাষী হিসেবে কাজ করে।


এ বিষয়ে অভিষেক বলেন, “ভবিষ্যতে এই ডিভাইজগুলো মূক ও বধির ব্যক্তিদের দারুণভাবে সহায়তা করতে পারবে।”

Comments